Free Delivery on orders over $200. Don’t miss discount.
Uncategorized

ব্লু কাট কি আসলেই প্রয়োজনীয়? চলুন দেখি!

61VviV-EaNL._AC_UF894,1000_QL80_
ব্লু কাট গ্লাস কেন প্রয়োজনীয়?

 আজকের দিনে আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অংশটাই কেটে যাচ্ছে মোবাইল, কম্পিউটার আর টিভির পর্দার সামনে। 

 

কাজ হোক বা পড়াশোনা—সবকিছুই এখন স্ক্রিন নির্ভর। কিন্তু এই স্ক্রিন থেকে বের হওয়া ব্লু লাইট আস্তে আস্তে চোখকে দুর্বল করছে।আমাদের চোখ খুবই সংবেদনশীল। UV আর ব্লু লাইট যখন সরাসরি চোখে পড়ে, তখন চোখের ভেতরের লেন্স ও রেটিনার ওপর চাপ ফেলে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে অল্প বয়সেই দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 

তাছাড়া চোখে শুষ্কভাব, জ্বালা, মাথাব্যথা—সবকিছুর মূলেই রয়েছে এই ক্ষতিকর আলো।তাই প্রতিদিনের সুরক্ষার জন্য যেমন আমরা সানস্ক্রিন ব্যবহার করি, তেমনি চোখের সুরক্ষার জন্য ব্লু কাট গ্লাস একেবারেই অপরিহার্য।

 

বাচ্চারা থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাই এখন দিনে গড়ে ৬-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে। অথচ চোখের জন্য কোনো সুরক্ষা নেওয়া হয় না। একসময় যে চশমা শুধু চোখের পাওয়ার ঠিক করার জন্য ব্যবহৃত হতো, আজ সেটাই আমাদের চোখের ঢাল হয়ে উঠেছে। 

 

ব্লু কাট গ্লাস আপনার চোখকে ব্লু লাইট থেকে বাঁচিয়ে দেয় এবং চোখের ক্লান্তি অনেক কমিয়ে দেয়। শুধু চোখের আরামই নয়, ব্লু কাট গ্লাস চোখের স্বাস্থ্যও দীর্ঘদিন ভালো রাখে। যারা রাতে দেরি করে কাজ করেন বা মোবাইল ব্যবহার করেন, তারা প্রায়ই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। 

 

কারণ ব্লু লাইট মস্তিষ্ককে জাগিয়ে রাখে। ব্লু কাট গ্লাস এই আলোকে ফিল্টার করে আপনাকে ভালো ঘুম পেতে সাহায্য করে। ফলে শুধু চোখ নয়, পুরো শরীরই থাকে অনেক বেশি সুস্থ।

🔹 ব্লু লাইট থেকে বাঁচার উপায় (চশমা ছাড়া)

1- স্ক্রিন টাইম কমানো

প্রতিদিন একটানা অনেকক্ষণ মোবাইল/কম্পিউটার না দেখে মাঝেমাঝে বিরতি নেওয়া। ২০-২০-২০ রুল: প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকানো।

ব্লু কাট গ্লাস কেন প্রয়োজনীয়?

2- ডিভাইসের সেটিংস ব্যবহার করা

মোবাইল বা কম্পিউটারে Night Mode / Blue Light Filter অন করে রাখা। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা (চোখে আরামদায়ক লেভেলে)।

ব্লু কাট গ্লাস কেন প্রয়োজনীয়?

3-স্ক্রিন প্রটেক্টর ফিল্ম লাগানো

এখন অনেক স্ক্রিন গার্ড আছে যা ব্লু লাইট কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে মোবাইল ও ট্যাবের জন্য বেশ কার্যকর।

4- আলোর পরিবেশ ঠিক রাখা

অন্ধকারে বসে মোবাইল দেখা উচিত নয়। ঘরে পর্যাপ্ত আলো থাকলে স্ক্রিনের আলো চোখে সরাসরি চাপ ফেলে না।

5- ঘুমানোর আগে স্ক্রিন এড়ানো

ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার বন্ধ করা। এতে চোখও রেস্ট পায়, ঘুমও ভালো হয়।

6- ডায়েট ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

ভিটামিন A, C, E এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার (গাজর, মাছ, বাদাম, শাকসবজি) চোখের জন্য ভালো। পর্যাপ্ত পানি খেলে চোখ শুকিয়ে যায় না।

7- চোখের ব্যায়াম ও পানি দেওয়া

মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে আরাম দেওয়া বা চোখ ঘোরানো। চোখ নিয়মিত পানি দিয়ে ধোয়া।

কিন্তু সত্যিই কথা হলো—আজকের ব্যস্ত লাইফস্টাইলে নিয়ম করে “স্ক্রিন কমানো, ২০-২০-২০ রুল মানা বা ঘুমানোর আগে মোবাইল না দেখা”—এগুলো অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। কারণ কাজ, পড়াশোনা, বা ব্যবসা সবই এখন স্ক্রিন নির্ভর। যখন নিয়ম মানা কঠিন, তখন চোখকে সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো Bluecut চশমা ব্যবহার করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *